Posts

মেয়েটিকে চিনি না

২৮ পেরিয়েছি। একটা ভাল চাকুরী করি। এই শহরেই আছি ২৫বছর ধরে। বাবা-মা সাথেই থাকেন। আজকাল আমার জন্য মেয়ে দেখা হচ্ছে। আমার পছন্দ ছিল একটা সময়, ৪বছর হয়ে গেছে সম্পর্ক নেই। এখনো খোঁজ রাখি, সে বিয়ে করে নিয়েছে। অনেকটা সময় ছিলাম সম্পর্কে, কিন্তু ভাল সময় সেই কিছুদিনই থাকে পরে সেটা বিভিন্ন রূপ পালটে বোঝা পরায় চলে আসে। আলাদা ইউনিভার্সিটি আলাদা রুটিন, অনেক কিছু মানিয়ে নিয়েই চলতে হয়েছে। ইউনিভার্সিটির শেষ বছরে আর কুলিয়ে উঠতে পারিনি। শেষে মেনে নিয়েছি। গত ৩বছরে চাকুরী আর নিজের জন্য কিছু করা এর মাঝেই সময় কেটে গেছে, বন্ধুদের আড্ডায় সময়ও খারাপ কাটে না। আমার এখন আর পছন্দ বলে আহামরি কিছু নেই। সব ভালো হলে, বাবা-মায়ের পছন্দ হলে, আমার মানা নেই। অফিসের জন্য বের হচ্ছি। মা দরজা লাগাতে আসলো। - শুভ্র, আজকে দুপুরে আসবি। আমরা কিন্তু মেয়ে দেখতে যাবো। - মা বলল। - আচ্ছা। একটা কাজ করো না? - হ্যাঁ বল। - মামাকে সাথে নাও। আমি গাড়িটা রেখে যাই, তোমরা আমাকে নিয়ে নিও অফিসের সামনে থেকে। তাহলে আমার অপেক্ষায় তোমাদের বসে থাকতে হবে না। - আচ্ছা ঠিক আছে। মেয়ের বাড়ি পুরান ঢাকা। তবে এরা এখানের স্থানীয় না। আমার কাছে কথা বলার খুব এক...

রূপ

চোখে তোমার অশ্রু , সে তো শুধু অভিনয়। মেয়ে, তোমায় দেখলে, মনে ধরে বড়  ভয়। বাম হাতে তোমার গোলাপ ফুল সাথে দিয়েছো কাটা , ডান হাতে লিখেছো তুমি আমার মরণ গাঁথা । মুখে তোমার মধুর বচন, নিয়ত দিয়েছ সাজা, ঈশ্বরও যে ভেবে ব্যাকুল, কেন কঠিন নারীকে বোঝা? তুমিই দেখাও সুখের আশা, নিজেই ভাঙো স্বপ্ন, নিজের স্বার্থে সর্বনাশা, তবে মিথ্যে কি সব যত্ন ? তোমার প্রেমেতে অঙ্গার হয়ে শুনি তোমার নূপুরের ঝংকার এই লাগলাম মনের দরজা, কেউ পার হবে না আর এই দ্বার ।

জেলখানা ও ভালবাসার কথা

বলতে বলতে থেমে যাই, চোখের দিকে কেন তাকাই? তোকে হাজার কথার মাঝে, হাজার কাজের ফাঁকে, তোর ছোঁয়াটা খুঁজে পাই। মিষ্টি কথায় হাঁসাতাম তোকে দুষ্টু কথায় জ্বালাতাম তোকে। হাজার লোকের মাঝে থেকে খোলা জানালার পাশে বসে, কে বল তোকে আমার মতন ভালবাসে? সনপাপরি পছন্দ তোর আটকাবো যে কোথায় সে জোর। বলতে বলতে থেমে যাই, চোখের দিকে কেন তাকাই? আমি জানি পাশে তুই নাই। নতুন বাড়ির ঠিকানা আমি জানি না তবু তোর মনের শেষ সীমানা আমার ঠিকানা। তোর বারান্দার পাখিগুলো একদিন কেড়ে নেবো, যেদিন তোকে মনের জেল থেকে মুক্ত করে দেবো। এই জেলের চার দেয়ালে ভালো লাগে না তোর ছবিটা থাকলে পরে জেলখানা আর জেলখানা হত না। বলতে বলতে থেমে যাই, তোর চোখের দিকে কেন তাকাই? জানি আমি পাশে তুই নাই। ক্ষমা করিস ওরে পাখি, যতই হাঁসাই তোরে ততই কাঁদাই। আমার কথা পড়লে মনে, শুকনো ফুলের গন্ধ নিবি, তোকে নিয়ে যুদ্ধ হলে সবার সামনে আমায় পাবি। কখনো যদি মনে হয়, এই শরীরে আমি নাই, ধরে নিবি মরে গেছি অনেক দুরে চলে গেছি। তোর পায়ের ওই পায়েল বাজে মৃত দিনের সন্ধ্যা সাজে, বন্ধ ঘরে দীর্ঘশ্বাঃসে আমার দেহে রক্ত নাচে তবু তোকে ছোঁবো না, এই শেষবার প্...

ভালবাসতে ভুলে গিয়েছি

                                     ভালবাসতে ভুলে গিয়েছি                                                         -মলয় বাড়ৈ                                      আমার কষ্টগুলো পথ হারিয়েছে                                      হয়ত ভালবাসতে ভুল গিয়েছি তাই।                                      তোমার মায়াতে আর টান ধরে না,                                      কমেছে ছুঁয়ে দেখার অভিপ্রা...

শেষ চিঠি

                                                              শেষ চিঠি                                                                         - মলয় বাড়ৈ                                              তোমাকে লেখা এটাই আমার শেষ চিঠি                                             তোমার জিজ্ঞাসু মনে প্রশ্ন তখন, কেন কেন কেন ?                                 ...

Learn Programming

Try to learn any programming language deeply then you can move to other. You should understand the concept of the program so that you can solve it with other programming language. Just you have to learn the syntax of it. Books Link

খুনি

[ বিঃদ্রঃ- লেখাটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। ব্যক্তি, স্থান, কাল, ঘটনা সবকিছুই লেখকের কল্পনার। বাস্তবের সাথে এর কোন মিল নেই। তাই, যদি বাস্তবের সাথে সাংঘষিক কিছু হয়ে থাকে তাহলে সেটা শুধুই কাকতালীয়] করমর্দন করল দুজন। একদমই অপরিচিত দুজন। আগে কখনই কেউ কাউকে দেখেন নি। কলকাতার শিয়ালদাহ স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠল। এই ট্রেন সরাসরি বাংলাদেশে ঢুকবে। দেশী মানুষ জেনেই কথা বলতে এগিয়ে এলো। রেদুয়ান হোসেন কাজল, পেশায় লেখক। কলকাতায় এসেছিলেন ২সপ্তাহ আগে, বিশ্ব বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একটি নিমন্ত্রণেই আসা। আজ ফিরে যাচ্ছেন দেশে। সুবোধ, পেশায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। কলকাতায় এসেছিলেন ঘুরতে কিন্তু পেছনে লুকানো আছে অন্য গল্প। -আমার নাম কাজল। আপনার? -আমি সুবোধ। -কোলকাতায় কোন কাজে এসেছিলেন? -না, ঘুরতে । আপনি ? -বিশ্ব বাংলা ভাষা ও সাহিত্য থেকে একটা আলোচনা অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলাম। -আপনার পেশা? -সামান্য লেখালিখি করি আর কি। -বই পড়ার শখ থাকলেও, আপনাকে চিনি না। কি লেখেন? -কখনো প্রেম কাহিনী কখনো রহস্য। আর না চেনাটাই স্বাভাবিক, আমি তো হুমায়ুন আহমেদ নই । -আক্ষেপ করলেন ? -না, বাস্তবতা বললাম। -হুম। ট্রে...